প্রান্তিক (কাব্যগ্রন্থ): সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
অবয়ব
সম্পাদনা সারাংশ নেই |
অ Encyclopedist (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে খাত্তাব হাসান-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে ট্যাগ: প্রতিস্থাপিত পুনর্বহাল মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
| (২ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৩টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |
(কোনও পার্থক্য নেই)
| |
১০:৫০, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
চিত্র:প্রান্তিক-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu প্রান্তিক হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্ত্তৃক রচিত একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ।[১][২] এটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়।[১][২] এটি রবীন্দ্রনাথের কাব্য রচনার "অন্ত্যপর্ব"-এর অন্তর্গত একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।[২] এতে সর্বমোট ১৮টি কবিতা রয়েছে।[৩]
কবিতা
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]এতে ১৮টি কবিতা রয়েছে। কবিতাগুলি হল:
- বিশ্বের আলোকলুপ্ত তিমিরের অন্তরালে এল
- ওরে চিরভিক্ষু, তোর আজন্মকালের ভিক্ষাঝুলি
- এ জন্মের সাথে লগ্ন স্বপ্নের জটিল সূত্র যবে
- সত্য মোর অবলিপ্ত সংসারের বিচিত্র প্রলেপে
- পশ্চাতের নিত্যসহচর, অকৃতার্থ হে অতীত
- মুক্তি এই—সহজে ফিরিয়া আসা সহজের মাঝে
- এ কী অকৃতজ্ঞতার বৈরাগ্য প্রলাপ ক্ষণে ক্ষণে
- রঙ্গমঞ্চে একে একে নিবে গেল যবে দীপশিখা
- দেখিলাম অবসন্ন চেতনার গোধূলিবেলায়
- মৃত্যুদূত এসেছিল হে প্রলয়ংকর, অকস্মাৎ
- কলরবমুখরিত খ্যাতির প্রাঙ্গণে যে আসন
- শেষের অবগাহন সাঙ্গ করো, কবি, প্রদোষের
- একদা পরমমূল্য জন্মক্ষণ দিয়েছে তোমায়
- যাবার সময় হোলো বিহঙ্গের। এখনি কুলায়
- অবরুদ্ধ ছিল বায়ু; দৈত্য সম পুঞ্জ মেঘভার
- পথিক দেখেছি আমি পুরাণে কীর্তিত কত দেশ
- যেদিন চৈতন্য মোর মুক্তি পেল লুপ্তিগুহা হতে
- নাগিনীরা চারি দিকে ফেলিতেছে বিষাক্ত নিশ্বাস
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]বাংলা ভাষার উইকিসংকলনে এই নিবন্ধ বা অনুচ্ছেদ সম্পর্কিত মৌলিক রচনা রয়েছে: প্রান্তিক