নাগিনী কন্যার কাহিনী: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
"{{তথ্যছক বই | নাম = নাগিনী কন্যার কাহিনী | লেখক = তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় | প্রকাশনার স্থান = ভারত (কলকাতা) | ভাষা = বাংলা | বিষয় = হিজল বিলের বিষবেদে সম্প্রদায়, মনসা মঙ্গল লোক..." দিয়ে পাতা তৈরি |
অ Encyclopedist (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে ARI-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে ট্যাগ: প্রতিস্থাপিত পুনর্বহাল মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| (২ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ২টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ৫ নং লাইন: | ৫ নং লাইন: | ||
| ভাষা = বাংলা | | ভাষা = বাংলা | ||
| বিষয় = হিজল বিলের বিষবেদে সম্প্রদায়, মনসা মঙ্গল লোককথা, প্রেম ও সংস্কার | | বিষয় = হিজল বিলের বিষবেদে সম্প্রদায়, মনসা মঙ্গল লোককথা, প্রেম ও সংস্কার | ||
| প্রকাশক = ডি এম লাইব্রেরী | | প্রকাশক = [[ডি. এম. লাইব্রেরী]] | ||
| আইএসবিএন = | | আইএসবিএন = | ||
| প্রকাশনার তারিখ = ১৯১৯ | | প্রকাশনার তারিখ = ১৯১৯ | ||
| ১২ নং লাইন: | ১২ নং লাইন: | ||
}} | }} | ||
'''নাগিনী কন্যার কাহিনী''' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক [[তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়]] রচিত একটি লোককথাধর্মী গল্পগ্রন্থ বা উপন্যাস, যা রাঢ় বাংলার গ্রামীণ ও আদিবাসী লোকসংস্কৃতির পটভূমিতে গড়ে উঠেছে। | '''নাগিনী কন্যার কাহিনী''' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক [[তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়]] রচিত একটি লোককথাধর্মী গল্পগ্রন্থ বা উপন্যাস, যা রাঢ় বাংলার গ্রামীণ ও আদিবাসী লোকসংস্কৃতির পটভূমিতে গড়ে উঠেছে। | ||
== বিষয়বস্তু == | == বিষয়বস্তু == | ||
| ৪১ নং লাইন: | ৪১ নং লাইন: | ||
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা উপন্যাস]] | [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা উপন্যাস]] | ||
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা সাহিত্য]] | [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা সাহিত্য]] | ||
[[বিষয়শ্রেণী:ডি. এম. লাইব্রেরী]] | |||
১০:২৯, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
নাগিনী কন্যার কাহিনী বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি লোককথাধর্মী গল্পগ্রন্থ বা উপন্যাস, যা রাঢ় বাংলার গ্রামীণ ও আদিবাসী লোকসংস্কৃতির পটভূমিতে গড়ে উঠেছে।
বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]উপন্যাসে ভাগীরথীর কোল ঘেষে হিজল বিলের শ্বাপদসংকুল পরিবেশ বর্ণিত হয়েছে, যেখানে সাপের আধিপত্য সর্বোচ্চ এবং বেদেরা (বিষবৈদ্য) সেই অভয়ারণ্যে বাস করে সাপের বিষ সংগ্রহ ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। চাঁদ সওদাগরের অভিশাপে নির্বাসিত এই সম্প্রদায়ের জীবনাচার, মূল্যবোধ ও অনুভূতি যুক্তিহীন সংস্কার ও অলৌকিকতায় পরিচালিত। নাগিনী কন্যার কাহিনি এই বিষবৈদ্যদের রক্তমাংসের জীবনকে পান্ডববর্জিত বনের রঙিন চিত্রায়নে উত্তোলিত করেছে।
চরিত্র ও কাহিনিবিন্যাস
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]কাহিনির কেন্দ্রে রয়েছে পিঙ্গলা—যাকে সমাজ নাগিনী কন্যা হিসেবে চিহ্নিত করে। তার ট্র্যাজেডি, অবদমিত কামনাবাসনা এবং ওঝা শিবরামের তান্ত্রিকতা উপন্যাসটিকে গতি দিয়েছে। তবে সমালোচকদের মতে, তারাশঙ্কর এখানে হিজল বিলের পরিবেশ এবং বেদে সমাজের সমষ্টিগত জীবনচিত্র আঁকতে যতটা সফল হয়েছেন, ব্যক্তি চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা দানে ততটা যত্নবান ছিলেন না।