বিষয়বস্তুতে চলুন
🎉 বইপিডিয়ার ১ বছর পূর্তি! · আমাদের ফেসবুক পেজ অনুসরণ করুন.

হিমুর দ্বিতীয় প্রহর: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
Encyclopedist (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে খাত্তাব হাসান-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
ট্যাগ: প্রতিস্থাপিত পুনর্বহাল মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
(৩ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৩টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
৯ নং লাইন: ৯ নং লাইন:
|আইএসবিএন =  
|আইএসবিএন =  
}}
}}
'''হিমুর দ্বিতীয় প্রহর''' [[হুমায়ূন আহমেদ][ লেখা বাংলা ভাষা একটি উপন্যাস। এই উপন্যাসে হিমুর সাথে দেখা হয় হুমায়ূন আহমেদের আরও একটি বিখ্যাত চরিত্র মিসির আলির। মিসির আলী চলেন লজিকের উপর ভিত্তি করে আর হিমুর জীবনটায় হল এন্টি-লজিকের মাঝে। লেখক তার সৃষ্ট এই দুটি চরিত্রগুলোর মধ্যে কোনটাকে বেশি গুরুত্ব দেন তা জানতে চেয়েছেন তাই নিয়ে এই বইটি লেখা।
'''হিমুর দ্বিতীয় প্রহর''' [[হুমায়ূন আহমেদ]] লেখা বাংলা ভাষা একটি উপন্যাস। এই উপন্যাসে হিমুর সাথে দেখা হয় হুমায়ূন আহমেদের আরও একটি বিখ্যাত চরিত্র মিসির আলির। মিসির আলী চলেন লজিকের উপর ভিত্তি করে আর হিমুর জীবনটায় হল এন্টি-লজিকের মাঝে। লেখক তার সৃষ্ট এই দুটি চরিত্রগুলোর মধ্যে কোনটাকে বেশি গুরুত্ব দেন তা জানতে চেয়েছেন তাই নিয়ে এই বইটি লেখা।


==পটভূমি==
==পটভূমি==

১০:২১, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

নাম




প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশনার স্থান বাংলাদেশ



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা


হিমুর দ্বিতীয় প্রহর হুমায়ূন আহমেদ লেখা বাংলা ভাষা একটি উপন্যাস। এই উপন্যাসে হিমুর সাথে দেখা হয় হুমায়ূন আহমেদের আরও একটি বিখ্যাত চরিত্র মিসির আলির। মিসির আলী চলেন লজিকের উপর ভিত্তি করে আর হিমুর জীবনটায় হল এন্টি-লজিকের মাঝে। লেখক তার সৃষ্ট এই দুটি চরিত্রগুলোর মধ্যে কোনটাকে বেশি গুরুত্ব দেন তা জানতে চেয়েছেন তাই নিয়ে এই বইটি লেখা।

১৯৯৭ সালের বইমেলায় বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়। বইটির প্রচ্ছদ তৈরি করেন সমর মজুমদার। বইটির গ্রন্থস্বত্ব লেখকের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন আহমেদের।বইটির প্রকাশক এ কে নাসির আহমেদ সেলিম। ২০১৪ সালে ১৩তম মুদ্রণ প্রকাশ হয়।

পূর্ণিমার শেষ রাতে এক গলির ভেতরে হিমু প্রচণ্ড এক ভয়ের মুখোমুখি হয়। তার এই ভয়ের কারণে তাকে হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি হতে হয়। অন্যদিকে হিমুর ফুফাতো ভাইয়ের বিয়ে আঁখি নামের একজনের সাথে ঠিক হয় কিন্তু বিয়ের দিন আঁখি বাড়ি থেকে চলে যায় তবে ঘটনাক্রমে শেষ পর্যন্ত বাদলের সাথেই তার বিয়ে হয়। হিমু তার এই ভয় সম্পর্কে কথা বলতে গিয়েছিল মিসির আলির কাছে। মিসির আলি হিমুকে বলে তার এই ভয়ের কারণ তার উত্তেজিত মস্তিষ্ক এবং তার উচিত আবার সেই ভয়ের মুখোমুখি হওয়া। পরের পূর্ণিমায় হিমু যায় সেই গলিতে তার কাছে মনে হয় সে যেন পূর্ববর্তী ঘটনাই আবার দেখছে। কুকুরগুলো তাকে জায়গা করে দেয় সেই ছায়াহীন মানবের কাছে যাওয়ার জন্য। আস্তে আস্তে হিমু এগিয়ে যায়।